দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার বাজারে পেঁয়াজের দাম এখন লাগামহীন। মাত্র দুই দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজিতে ২৫ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত দাম বেড়ে দেশি পেঁয়াজ এখন ১০০ থেকে ১১০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তিনদিন আগেও যে পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা, তা এখন সাধারণ ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
পাইকারি বাজারে গত শুক্র ও শনিবার পেঁয়াজের কেজি ছিল ৭২ থেকে ৮৫ টাকা যা এখন দাম বেড়ে ৯০ থেকে ১০৫ টাকা।
পৌরসভার সবচেয়ে বড় বাজারের আড়তদাররা এই অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ হিসেবে ভারতীয় পেঁয়াজের আমদানি বন্ধ থাকার কথা জানাচ্ছেন। ভারতীয় পেঁয়াজ না আসায় দেশি পেঁয়াজের ওপর চাপ বেড়েছে।
খুচরা বিক্রেতারা জানান, পাইকারি বাজারে দাম প্রায় পেঁয়াজের দাম কেজিতে প্রায় ২০ থেকে ২৫ টাকা বেড়েছে। বাজারে বর্তমানে পেঁয়াজের সরবরাহে তীব্র সংকট চলছে। যে পরিমাণ পেঁয়াজ বাজারে আসছে, তা মোটেই যথেষ্ট নয়।
ব্যবসায়ীরা আরও জানিয়েছেন, পেঁয়াজের মৌসুম শেষ হওয়ায় মজুদও কমে এসেছে, ফলে মোকামে দাম চড়া।
উপজেলার শিবরামপুর, পলাশবাড়ী, শতগ্রাম, পাল্টাপুর, সুজালপুর, নিজপাড়া, মোহাম্মদপুর, ভোগনগর, সাতোর, মোহনপুর ও মরিচাসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে কিছুটা দেরিতে পেঁয়াজ বীজ রোপণ শুরু হয়েছে। ফলে নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসতে আরও সময় লাগবে।
এই পরিস্থিতিতে ব্যবসায়ীরা পেঁয়াজ আমদানির অনুমতি দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
সংশ্লিষ্টদের আশঙ্কা, সময়মতো আমদানির অনুমোদন না পেলে বাজারে এই অস্থিরতা আরও চরম আকার ধারণ করবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে সাধারণ ভোক্তাদের ওপর।


