চমেকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের হামলার ঘটনায় মামলা

চমেকে অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের হামলার ঘটনায় মামলা
Advertisement
Advertisement

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়, বাইরের গাড়ি প্রবেশে বাধা, প্রতারণা ও হয়রানির অভিযোগকে কেন্দ্র করে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি ও হামলার ঘটনায় অবশেষে মামলা হয়েছে। ঘটনার ১৪ দিন পর আদালতের নির্দেশে পুলিশের পক্ষ থেকে মামলাটি করা হয়।

রোববার পাঁচলাইশ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আশরাফ উদ্দিন সরদার বাদী হয়ে এ মামলা করেন। মামলায় চট্টগ্রাম অ্যাম্বুলেন্স মালিক সমবায় সমিতি ও সংশ্লিষ্ট অ্যাম্বুলেন্সচালকদের মধ্যে জড়িত অজ্ঞাতনামা ২০ থেকে ৩০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

পাঁচলাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশনায় সিএমপির অতিরিক্ত উপকমিশনার তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেন। সেই প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। ভিডিওতে যাদের উপস্থিতি দেখা গেছে, তাদেরই মামলার আওতায় আনা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে শনাক্ত করে নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ৮ জুন চট্টগ্রামের চিফ মেট্রোপলিটন আদালত বিষয়টি তদন্তের জন্য সিএমপির উত্তর বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনারকে নির্দেশ দেন। তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার পর পাঁচলাইশ থানাকে মামলা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

মামলার এজাহারে বলা হয়, গত ৭ জুন বিকালে চমেক হাসপাতালের পূর্ব গেটের ভেতরে এনসিপির একটি মানববন্ধন চলাকালে হামলার ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা দ্রুত সরে যায়। এ ঘটনায় চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব আশিকুর রহমান আশিক, যুগ্ম সদস্যসচিব আসিফ চৌধুরী ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন মারুফসহ কয়েকজন আহত হন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চমেক হাসপাতাল এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি সক্রিয় অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট রোগী ও মৃত ব্যক্তির স্বজনদের কাছ থেকে কয়েক গুণ বেশি ভাড়া আদায় করে আসছে। পাশাপাশি বাইরের বৈধ অ্যাম্বুলেন্স ও অন্যান্য যানবাহনের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয়। অভিযোগ রয়েছে, ফিটনেস ও রুট পারমিটবিহীন সাধারণ মাইক্রোবাসে নীল বাতি এবং সাইরেন ব্যবহার করে অ্যাম্বুলেন্স হিসেবে চালিয়ে প্রতারণাও করা হচ্ছে।

ঘটনাটি ঘিরে চমেক হাসপাতাল এলাকায় অ্যাম্বুলেন্স সেবার নামে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ ও রোগী-স্বজনদের ভোগান্তির বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad