গণভোটের রায় বাস্তবায়নে দ্রুত সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন চায় ১১-দলীয় ঐক্য ও শহীদ পরিবার-আহতদের প্রতিনিধিরা।
গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জুলাই গণহত্যার বিচার ও শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসনসহ ছয় দফা দাবিতে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে।
তাদের অন্যতম প্রধান দাবি, অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণভোটের গণরায় বাস্তবায়নের কার্যক্রম শুরু করা।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতীয় সংসদে স্পিকার বরাবর দেওয়া স্মারকলিপিতে ১১-দলীয় ঐক্য ও শহীদ পরিবার-আহতদের পক্ষে সই করেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য রোকেয়া বেগম।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডে প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ আহত ও পঙ্গু হন। সেই আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে ন্যায়ভিত্তিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল, তা এখনও পূরণ হয়নি।
পাশাপাশি ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের রায়, জুলাই গণহত্যার বিচার এবং জুলাই সনদে ঘোষিত রাষ্ট্রীয় সংস্কারের বাস্তবায়নেও কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি হয়নি বলে উল্লেখ করা হয়।
স্মারকলিপিতে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান ও সময়বদ্ধ কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন, জুলাই গণহত্যার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার, জুলাইয়ের চেতনার আলোকে সাংবিধানিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার, শহীদ পরিবার ও আহতদের পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণ, জুলাইয়ের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং ২০২৬ সালের ৫ আগস্টের মধ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানানো হয়।
স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, শহীদদের আত্মত্যাগের প্রকৃত মর্যাদা নিশ্চিত করতে ন্যায়বিচার, ইনসাফ এবং জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার দ্রুত বাস্তবায়ন জরুরি।


