অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে গণভোটসহ ২৬টিতে মতভেদ মেটাতে ডাকা বৈঠকেও বিষয়টির সমাধান হয়নি। এখনো কমপক্ষে ১৮টি অধ্যাদেশের বিষয়ে ঐকমত্য হতে পারেননি বিশেষ কমিটির সদস্যরা।
রোববার রাতে দুই ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকেও সমাধানে পৌঁছতে পারেনি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই বিশেষ কমিটি।
যার মধ্যে অন্যতম রয়েছে, গণভোট, পুলিশ কমিশন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ কমিশন এবং গুম প্রতিরোধ কমিশন ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন সংক্রান্ত অধ্যাদেশ উল্লেখযোগ্য।
সভা শেষে রাত পৌনে বারোটায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতের সংসদ সদস্য ও সংসদের অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই বিশেষ কমিটির সদস্য গাজী নজরুল ইসলাম টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেন, ‘গত বুধবারের বৈঠকে ১৩৩ এর মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ২৬ অধ্যাদেশের বিষয়ে মতবিরোধ ছিল সরকারি দল ও বিরোধী দলের সদস্যদের মাঝে। সেটি মেটাতে রোববার রাতে ফের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এখানেও ১৮টির ব্যাপারে সরকারি দলের সদস্যদের সঙ্গে আমরা একমত হতে পারিনি।
তারা এগুলোর কিছু সংশোধন ও কিছু বাতিল করতে চায়। সে উদ্দেশ্যে তারা এগুলোকে বাস্তবায়ন না করে সংসদে আলোচনা টেবিলে উঠাতে চায়। যেহেতু তারা সংখ্যাগরিষ্ঠ আছে তাই তাদের উদ্দেশ্য ভালো নয়, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, ‘বৈঠকে আমরা তাদের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছি। সরকারি দল মুখে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে তার প্রমাণ আমরা পাচ্ছি না’
বিশেষ কমিটির সরকারি দলের একজন সংসদ সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্ত বলেছেন, ২০টির কাছাকাছি অধ্যাদেশ নিয়ে এখনো সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ রয়ে গেছে। এ বৈঠকে এটি মেটানো সম্ভব হয়নি।
এর আগে, রোববার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সরকারি দলের সংসদীয় কমিটির বৈঠক শেষে বলেছিলেন, রাতেই ১৩৩ অধ্যাদেশের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে।’


