অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশে তুমুল বৃষ্টিপাত

অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশে তুমুল বৃষ্টিপাত
ছবি: এপি/ইউএনবি
Advertisement
Advertisement

ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলের কাছে বুধবার ভোরে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। উপকূল অতিক্রমের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে ছয় ঘণ্টার বেশি সময় লেগেছে।

ভারতের আবহাওয়া বিভাগের (আইএমডি) তথ্য অনুযায়ী তৃতীয় সর্বোচ্চ মাত্রার ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড় হিসেবে স্থলভাগে আঘাত হানে অর্ণব। সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে প্রকাশিত এক বুলেটিনে আইএমডি জানিয়েছে, সর্বশেষ পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টির কেন্দ্রীয় অংশ পুরোপুরি স্থলভাগে প্রবেশ করেছে। এর মধ্য দিয়ে উপকূল অতিক্রমের প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে।

আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ‘অতি প্রবল’ ঘূর্ণিঝড় হিসেবে অন্ধ্র প্রদেশ ও ইয়ানাম উপকূল অতিক্রমের সময় অর্ণবের সর্বোচ্চ একটানা বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১২৫ থেকে ১৩৫ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছিল। পরে সকাল সাড়ে আটটায় ঘূর্ণিঝড়টি দুর্বল হয়ে ‘প্রবল’ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাবে অন্ধ্র প্রদেশ ও ওডিশার কয়েকটি জেলায় ভারী বৃষ্টি হয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টি আঘাত হানার আগেই দুই রাজ্যে ১ লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

অন্ধ্র প্রদেশে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে বিশাখাপত্তনমে, ৩১৫ মিলিমিটার। এ ছাড়া বিজয়নগরমে ৩০১ মিলিমিটার, আনাকাপল্লিতে ২৭৫ মিলিমিটার, শ্রীকাকুলামে ২৫৭ মিলিমিটার এবং কৃষ্ণায় ২২৩ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন বিমান সংস্থা বুধবার বিশাখাপত্তনম ও বিজয়ওয়াড়াগামী ফ্লাইট বাতিল করেছে।

ওডিশার কোরাপুটে ১৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। এ ছাড়া গঞ্জামে ১৬১ মিলিমিটার এবং গজপতিতে ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এখন পর্যন্ত এই ঘূর্ণিঝড়ে কোনো রাজ্যেই প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ঝড়ের কারণে ব্যাহত হয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ। উপড়ে পড়েছে বেশ কিছু গাছপালা। বন্ধ রাখা হয়েছে বিদ্যালয়। বাতিল করা হয়েছে কয়েকটি ট্রেনের যাত্রাও।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad