দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার, জাপানি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে চার দিনের সরকারি সফরে জাপান গেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির আমন্ত্রণে রোববার রাত ১২টা ১০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি টোকিওর উদ্দেশে রওনা হন।
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানাতে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
টোকিও পৌঁছানোর পর আজ সোমবার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেবেন তারেক রহমান। আলোচনা শেষে যৌথ বিবৃতি প্রকাশ করা হবে। পরে জাপানি প্রধানমন্ত্রীর আয়োজিত মধ্যাহ্নভোজে যোগ দেবেন তিনি।
ঢাকায় প্রেস ব্রিফিংয়ে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, এই সফর কৌশলগত অংশীদারত্ব গভীর করার পাশাপাশি বাণিজ্য ও উন্নয়ন প্রকল্পের গতি ত্বরান্বিত করবে।
দুই প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে গত ফেব্রুয়ারিতে স্বাক্ষরিত ‘বাংলাদেশ-জাপান ইকোনমিক পার্টনারশিপ অ্যাগ্রিমেন্ট’ (ইপিএ)-এর কার্যকর বাস্তবায়ন, জাপানের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের সুবিধা বৃদ্ধি এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয় প্রাধান্য পাবে। বর্তমানে উভয় পক্ষ আটটি সমঝোতা স্মারকের খসড়া নিয়ে আলোচনা করছে, যার মধ্যে তিন থেকে চারটি এই সফরে স্বাক্ষরিত হতে পারে।
সফরকালে প্রধানমন্ত্রী ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন। এ ছাড়া তিনি জাইকার প্রেসিডেন্ট, জেবিআইসির গভর্নর, জেট্রোর প্রেসিডেন্ট, সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এবং বিভিন্ন ব্যবসায়ী সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। সফরের অংশ হিসেবে ফুত্তসু সিটির এলএনজি টার্মিনাল ও বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং নাগোয়ায় ইউনিক্লো ও টয়োটার কারখানা পরিদর্শনেরও কথা রয়েছে।


