টঙ্গীতে গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে স্বামী, স্ত্রী ও সন্তান দগ্ধ হয়েছেন। তারা হলেন- লাল চান মিয়া (৪৪), তার স্ত্রী নাসিমা খাতুন (৪০) ও তাদের মেয়ে তানিশা আক্তার (১৬)।
তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
বুধবার সকাল ৬টার দিকে টঙ্গীর চেরাগ আলী এলাকায় ভাদাম রোড মাদ্রাসা মার্কেটের পাশে একটি দুইতলা বাড়ির নিচ তলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দগ্ধ তিনজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক।
দগ্ধ দম্পতির বড় মেয়ে বিউটি আক্তার জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলার রুপসি কুড়িপাড়া গ্রামে। তার বাবা-মা স্থানীয় একটি গার্মেন্টসে অপারেটর হিসেবে চাকরি করেন। আর তানিশা স্কুলে লেখাপড়া করে।
তারাও পাশাপাশি এলাকায় থাকেন। সকালে খবর পান, তার বাবা-মায়ের বাসায় বিস্ফোরণে আগুন ধরে গেছে। বাসায় থাকা তিনজনই পুড়ে গেছে। তাদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরে তিনি হাসপাতালে এসে দগ্ধদের দেখতে পান।
তিনি জানান, ওই বাসায় তিতাসের গ্যাস রয়েছে। তবে পাশাপাশি গ্যাস সিলিন্ডারেও ব্যবহার করেন। তাদের ধারণা, লিকেজের কারণে বাসায় গ্যাস জমে ছিল। সেই গ্যাস থেকেই বিস্ফোরণ হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে।
বার্ন ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন সুলতান মাহমুদ জানান, লাল চানের শরীরের ৯৫ শতাংশ, নাসিমার ৮৫ ও তানিশার ৮৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের তিনজনেরই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।


