ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় শিশু নিছামনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের দুই লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এছাড়া মামলার অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামি মারুফকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সুদীপ্তা সরকার এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— আরিফ, রাকিব ও সিয়াম। একই রায়ে কিশোর আসামি মারুফের বয়স বিবেচনায় তাকে ১১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, গত ১৪ জুন বিকালে ধোবাউড়া উপজেলার একটি এলাকায় শিশু নিছামনিকে অপহরণের পর সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয়। পরে অপরাধের আলামত গোপন করতে তাকে নদীতে ফেলে হত্যা করা হয়।
পরদিন ১৫ জুন নিহত শিশুটির বাবা বাদী হয়ে ধোবাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন। ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্তে নেমে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ ও আসামিদের গ্রেপ্তার করে। দ্রুত তদন্ত শেষে ঘটনার মাত্র ৯ দিনের মাথায়, গত ২৩ জুন চার আসামির বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।
অল্প সময়ের মধ্যে তদন্ত সম্পন্ন এবং বিচারিক কার্যক্রম শেষে এ রায় ঘোষণা করা হলো। রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিহত শিশুর স্বজনরা। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এ রায়ের মাধ্যমে নারী ও শিশু নির্যাতনের মতো জঘন্য অপরাধ দমনে কঠোর বার্তা পৌঁছাবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা কমাতে তা কার্যকর ভূমিকা রাখবে।


