২৬ অক্টোবর সোমবার থেকে ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যুক্ত হচ্ছে আরও একটি ট্রেন সার্ভিস ‘মহানগর এক্সপ্রেস’। এতদিন চট্টগ্রাম-ঢাকা রুটে চলাচল করলেও সার্ভিসটির যাত্রাপথ বাড়িয়ে কক্সবাজার পর্যন্ত করা হয়েছে।
এর ফলে নরসিংদী, ভৈরব, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, ফেনীর মতো মধ্যবর্তী স্টেশনগুলোর যাত্রীরা কোনো ট্রেন পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি কক্সবাজারে যাতায়াতের সুযোগ পাবেন।
বর্তমানে এ রুটে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটন এক্সপ্রেস’ নামে দুটি বিরতিহীন ট্রেন চালু রয়েছে, যা কেবল চট্টগ্রাম স্টেশনে থামে। অন্যদিকে, বর্ধিত ‘মহানগর এক্সপ্রেস’ ঢাকা-কক্সবাজার রুটে ১২টি স্টেশনে যাত্রাবিরতি দেবে।
বাংলাদেশ রেলওয়ের নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, প্রতিদিন রাত ৮টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা ট্রেনটি রাত ২টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম এবং পরদিন সকাল ৬টায় কক্সবাজার আইকনিক স্টেশনে পৌঁছাবে। ফিরতি পথে প্রতিদিন সকাল ৯টায় কক্সবাজার থেকে ছেড়ে দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে চট্টগ্রাম যাত্রাবিরতি দিয়ে সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছাবে। ১৬টি কোচের এই ট্রেনে মোট আসন সংখ্যা বাড়িয়ে ৭৩৬টি করা হয়েছে। প্রতি রোববার সাপ্তাহিক বন্ধ ছাড়া সপ্তাহের বাকি ছয় দিন ট্রেনটি চলাচল করবে।
ঢাকা-কক্সবাজার রুটে সর্বনিম্ন শোভন চেয়ারের ভাড়া ৬৮৫ টাকা এবং সর্বোচ্চ এসি শ্রেণির ভাড়া ১,৫৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার অংশের জন্য সর্বনিম্ন ভাড়া ২৪০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৫৪৭ টাকা।
যাত্রাপথে ট্রেনটি ঢাকা বিমানবন্দর, নরসিংদী, ভৈরব বাজার, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, আখাউড়া, কসবা, কুমিল্লা, লাকসাম, নাঙ্গলকোট ও ফেনী স্টেশনে থামবে। তবে নতুন এই রুট সম্প্রসারণে সীতাকুণ্ডের কুমিরা স্টেশনের যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে।
অনলাইন এবং স্টেশন কাউন্টার থেকে নিয়মিত নিয়মেই টিকিট কেনা যাবে। ইতিমধ্যে নির্দিষ্ট দিনের যাত্রার টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে।
কক্সবাজার আইকনিক রেল স্টেশনের ব্যবস্থাপক জয়নাল আবেদীন জানান, প্রতিদিন ‘মহানগর এক্সপ্রেস’-এর দুটি ট্রেন ঢাকা-কক্সবাজার রুটে যাতায়াত করবে। পাশাপাশি পূর্বের ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ ও ‘পর্যটন এক্সপ্রেস’ আগের নিয়মেই নিয়মিত চলাচল করবে।


