জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে এক কিশোরী শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মুছা মিয়া নামের এক ইমামকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তাকে পাঁচ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। এই অর্থ ভুক্তভোগী পাবেন বলে জানিয়েছে আদালত।
রোববার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আবদুর রহিম এ রায় ঘোষণা করেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া গাইবান্ধা জেলার ফুলছরি থানার হরিচন্ডি গ্রামের মো. মনিরুল ইসলামের ছেলে। তিনি জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার সানন্দবাড়ী মণ্ডলপাড়া এলাকার একটি জামে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফজলুল হক জানান, ২০২০ সালে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। দণ্ডপ্রাপ্ত মুছা মিয়া যে মসজিদে ইমামতি ও শিক্ষকতা করতেন সেখানেই আরবি পড়তে যেতেন ভুক্তভোগী কিশোরী। প্রতিদিন সকালে অন্য শিক্ষার্থীদের ছুটি দিয়ে ভুক্তভোগীকে মসজিদে রেখে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করাতেন মুছা মিয়া। এ সুযোগে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই শিক্ষার্থীকে নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে একাধিকবার ধর্ষণ করেন দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি। পরে পরিবারের লোকজন বিষয়টি জানতে পারেন এবং ইমামের বিরুদ্ধে দেওয়ানগঞ্জ থানায় ভুক্তভোগীর মা একটি মামলা করেন।
সেই মামলায় ২০২১ সালের ৫ মে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। পরে ১০ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন বিচারক।


