রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ ১৬ জনের জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।
শুক্রবার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের শুনানির পর মহানগর হাকিম সারাহ্ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, শাহবাগ থানার সহকারি পরিদর্শক (এসআই) তৌফিক হাসান আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ওই মামলায় অজ্ঞাতনামা আরো ৭০ থেকে ৮০ জন আসামি রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল আলোচনা থেকে লতিফ সিদ্দিকী, অধ্যাপক কার্জনসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করে পুলিশ।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এর আগে ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে কিছু যুবক অনুষ্ঠানস্থলে লাঠিসোঁটা নিয়ে প্রবেশ করে ‘স্লোগান’ দেয় ও লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যান্য অতিথিদের অবরুদ্ধ করে। তারা অনুষ্ঠানের ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে ও টেবিল ভেঙে ফেলে।
পরে শাহবাগ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে অনুষ্ঠানের অতিথিসহ আমন্ত্রিত ১৬ জনকে আটক করে। রাতে তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসদমন আইনে মামলা দেওয়া হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামলার ১৬ জনের মধ্যে অন্য আসামিরা হচ্ছেন– আব্দুল্লাহ আল আমিন (৭৩), মঞ্জুরুল আলম (৪৯), কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল (৭২), গোলাম মোস্তফা (৮১), মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু (৬৪), জাকির হোসেন (৭৪), তৌছিফুল বারী খান (৭২), আমির হোসেন সুমন (৩৭), আল আমিন (৪০), নাজমুল আহসান (৩৫), সৈয়দ শাহেদ হাসান (৩৬), মোঃ শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার (৬৪), দেওয়ান মোহম্মদ আলী (৫০) এবং আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম (৬১)।