মধ্যপ্রাচ্যে সৃষ্ট নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার ও জর্ডান আকাশসীমা বন্ধ রাখায় হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ রাত ১২টার পর পর্যন্ত মোট ৪৭৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৩টি, ১ মার্চ ৪০টি, ২ মার্চ ৪৬টি, ৩ মার্চ ৩৯টি, ৪ মার্চ ৩২টি, ৫ মার্চ ৩৬টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ২৮টি, ৮ মার্চ ২৮টি, ৯ মার্চ ৩৩টি, ১০ মার্চ ৩২টি, ১১ মার্চ ২৭টি, ১২ মার্চ ২৮টি এবং ১৩ মার্চ ২৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়। শনিবার রাত ১২টার পর আরও ২৬টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
এদিন বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজের ২টি, এয়ার অ্যারাবিয়ার ২টি, গালফ এয়ারের ৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৪টি, এমিরেটসের ৪টি, জাজিরার ৪টি, ফ্লাইদুবাইয়ের ৪টি এবং ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি ফ্লাইট রয়েছে।
এদিকে, একই সময়ে মধ্যপ্রাচ্যগামী কিছু রুটে ফ্লাইট পরিচালনা অব্যাহত রয়েছে। বিমানবন্দর সূত্র বলছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ মার্চ পর্যন্ত মাস্কাট, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী মোট ৪৯০টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়েছে।
এর মধ্যে ২৮ ফেব্রুয়ারি ৬টি, ১ মার্চ ২০টি, ২ মার্চ ১৮টি, ৩ মার্চ ২২টি, ৪ মার্চ ৩৫টি, ৫ মার্চ ৩৮টি, ৬ মার্চ ৩৪টি, ৭ মার্চ ৩৯টি, ৮ মার্চ ৩১টি, ৯ মার্চ ৪০টি, ১০ মার্চ ৪২টি, ১১ মার্চ ৩৬টি, ১২ মার্চ ৪৮টি এবং ১৩ মার্চ ৩৭টি ফ্লাইট পরিচালিত হয়। শনিবার পরিকল্পনায় রয়েছে আরও ৪৪টি ফ্লাইট।
এদিনের পরিকল্পিত ফ্লাইটের মধ্যে মাস্কাটগামী ৬টি, সৌদি আরবগামী ১৮টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ২০টি ফ্লাইট রয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরাতগামী ২০টি ফ্লাইটের মধ্যে দুবাইগামী ১০টি, আবুধাবিগামী ১টি এবং শারজাহগামী ৯টি রয়েছে।
বিমানবন্দর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের আকাশসীমা বন্ধ থাকায় সরাসরি ও সংযোগ ফ্লাইটের সূচিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে, যদিও কিছু বিকল্প রুটে সীমিত আকারে ফ্লাইট পরিচালনা চলছে।


