বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শেবাচিম) কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তারা। এ সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ হয় এবং বেশ কয়েকজন আহত হন।
বৃহস্পতিবার সকালে মেডিসিন বিভাগের ভবন থেকে মিছিল শুরু হয়ে হাসপাতাল চত্বর প্রদক্ষিণ করে প্রধান সড়কে যায়। সেখান থেকে ফিরে হাসপাতালের প্রধান ফটকের গেটে সমাবেশ করে।
তারা জানান, গত ১৮ দিন ধরে শিক্ষার্থী নামধারী আন্দোলনকারীরা চিকিৎসক ও কর্মচারীদের ওপর হামলা করছে, ফলে হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। শুক্রবারের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হলে ধর্মঘটের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
বিক্ষোভের পরপরই হাসপাতালের কর্মচারী ও স্বাস্থ্য খাত সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন আন্দোলনের অন্যতম নেতা মহিউদ্দিন রনি।
পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে হাসপাতালে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে জানিয়েছে অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার বেল্লাল হোসাইন।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ সারা দেশের স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের দাবিতে বরিশাল ব্লকেড কর্মসূচির পাশাপাশি অনশন শুরু করে ছাত্র-জনতা। বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। তবে স্বাস্থ্য উপদেষ্টাকে বরিশাল আসার আহ্বান জানিয়ে আন্দোলন চালিয়ে যেতে থাকেন আন্দোলনকারীরা।


