টাইফয়েড জ্বর থেকে সুরক্ষা দিতে রোববার সকাল থেকে সারাদেশে প্রথমবারের মতো মাসব্যাপী টাইফয়েড টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। এ ক্যাম্পেইনে ৯ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে বিনামূল্যে দেওয়া হবে টাইফয়েডের টিকা।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, শিশুদের টিকার জন্য সরকারের নির্ধারিত ভ্যাকসিন নিবন্ধন পোর্টালে আবেদন করতে বলা হলেও, যারা আবেদন করেনি কিংবা জন্ম নিবন্ধন নেই, নিয়মিত টিকা কেন্দ্রে গিয়ে তারাও টাইফয়েড টিকা দিতে পারবে।
চিকিৎসকরা বলছেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত শতভাগ নিরাপদ এ টিকায় ন্যূনতম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া আর কোনো শঙ্কার কারণ নেই। অন্যদিকে, কার্যকারিতা বিবেচনায় রেখে সামনের বছরগুলোতেও টাইফয়েড টিকাদান কার্যক্রম চালু রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
ব্যাকটেরিয়া সৃষ্ট সংক্রামক এই রোগটি প্রতিরোধযোগ্য হলেও টাইফয়েডে দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতা হতে পারে, এমনকি মৃত্যুও ঘটতে পারে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, বিশ্বে প্রায় ৯০ লাখ মানুষ প্রত্যেক বছর টাইফয়েডে আক্রান্ত হয়। যার মধ্যে ১ লাখের বেশি মানুষ মারা যায়।
দ্যা গ্লোবাল বারডেন অব ডিজিজ এর সমীক্ষা থেকে জানা যায়, ২০২১ সালে বাংলাদেশে টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত প্রায় ৪ লাখ ৭৮ হাজার জনের মধ্যে অন্তত ৮ হাজার জন মারা যান। যাদের মধ্যে ৬৮ শতাংশই ছিল শিশু।


