কক্সবাজার-টেকনাফ মহাসড়কে যাত্রীবাহী বাসের চাপায় ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার (স্থানীয়ভাবে টমটম নামে পরিচিত) দুই যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত আটজন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার সকালে টেকনাফ উপজেলার হ্নীলা ইউনিয়নের নাটমোড়া পাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে। আহতদের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
নিহতরা হলেন–হ্নীলা ইউনিয়নের পশ্চিম লেদা এলাকার বাসিন্দা লোকমান হাকিমের ছেলে ও টমটমচালক সাবের মিয়া ওরফে লালু এবং একই ইউনিয়নের পশ্চিম ফুলের ডেইল গ্রামের বাসিন্দা আবুল হোসেনের মেয়ে মুনতাহা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতির একটি যাত্রীবাহী বাস বিপরীত দিক থেকে আসা টমটমকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলেই টমটমচালক সাবের মিয়া নিহত হন। বাসচাপায় টমটমটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং যাত্রীরা সড়কে ছিটকে পড়েন।
এ সময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে টেকনাফ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। চিকিৎসকরা জানান, কয়েকজন আহতের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানায়, স্থানীয়দের সহযোগিতায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। তবে গুরুতর আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
ঘটনার পরপরই পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান চলাচল স্বাভাবিক করে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত শুরু হয়েছে উল্লেখ করে তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
টেকনাফ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। বর্তমানে ঘটনাস্থলে পুলিশ কাজ করছে।
এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া যান চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। তারা সড়কে গতি নিয়ন্ত্রণ ও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।


