লিওনেল মেসি শুরুর একাদশে ছিলেন না। তবু প্রথমার্ধেই দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় আর্জেন্টিনা। দ্বিতীয়ার্ধে জর্ডান একটি গোল শোধ দিলেও বদলি নেমে আলো ছড়ান মেসি। তার দারুণ ফ্রি-কিক গোলে শেষ পর্যন্ত ৩-১ ব্যবধানে জিতেছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।
ডালাস স্টেডিয়ামে ‘জে’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শুরু থেকেই একচেটিয়া আধিপত্য দেখায় লিওনেল স্কালোনির দল। ১৯ মিনিটে দুর্দান্ত ফ্রি-কিক থেকে গোল করে আর্জেন্টিনাকে এগিয়ে দেন জিওভানি লো সেলসো। ৩১ মিনিটে ভিএআর দেখে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন রেফারি। স্পট-কিক থেকে বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করেন লাওতারো মার্তিনেজ।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আর্জেন্টিনার একটি গোল অফসাইডের কারণে বাতিল হয়। ৫৫ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে এহসান হাদ্দাদের নিচু ক্রসে গোল করে ব্যবধান কমান জর্ডানের বদলি খেলোয়াড় মুসা আল-তামারি। চলতি বিশ্বকাপে এটিই আর্জেন্টিনার হজম করা প্রথম গোল।
গোল খাওয়ার পাঁচ মিনিট পর, ৬০ মিনিটে মাঠে নামেন লিওনেল মেসি। নেমেই দলের আক্রমণে গতি আনেন। ৮০ মিনিটে বক্সের ঠিক বাইরে ফাউলের শিকার হলে ফ্রি-কিক থেকে নিখুঁত বাঁকানো শটে গোল করেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। ৩-১ ব্যবধানের এই জয়ে ম্যাচের সব অনিশ্চয়তা শেষ হয়।
চলতি বিশ্বকাপে এটি মেসির ষষ্ঠ গোল, বিশ্বকাপ ইতিহাসে তার ১৯তম। টানা সাতটি বিশ্বকাপ ম্যাচে গোল করার অনন্য কীর্তিও গড়েছেন তিনি।
গ্রুপপর্বে টানা তিন ম্যাচ জিতে পূর্ণ ৯ পয়েন্ট পেয়েছে আর্জেন্টিনা। ‘জে’ গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হিসেবে তারা রাউন্ড অব ৩২-এ উঠেছে। অন্যদিকে তিন ম্যাচেই হেরে বিশ্বকাপ অভিষেক শেষ করল জর্ডান।


