চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (চুয়েট) শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত না করার লক্ষ্যে একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
তবে নবনিযুক্ত উপাচার্যের ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক যেকোনো কর্মকাণ্ডে পূর্বঘোষিত কর্মবিরতি ও সর্বাত্মক অসহযোগিতা কঠোরভাবে পালনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
রোববার চুয়েট শিক্ষক সমিতি, কর্মকর্তা সমিতি ও স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ বিবৃতিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২১ সেপ্টেম্বর নবনিযুক্ত উপাচার্যের প্রজ্ঞাপনকে কেন্দ্র করে চুয়েটে এক মাসের বেশি সময় ধরে একাডেমিক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন দীর্ঘায়িত হচ্ছে, যা উদ্বেগের বিষয়।
এ পরিস্থিতিতে সংকট নিরসন ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে তিন সংগঠনের যৌথ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নবনিযুক্ত উপাচার্যের সঙ্গে পূর্ণ অসহযোগিতা অব্যাহত রেখেই শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা একাডেমিক কার্যক্রমে অংশ নেবেন এবং সহযোগিতা করবেন। তবে উপাচার্যের ক্যাম্পাসকেন্দ্রিক যেকোনো কর্মকাণ্ডে পূর্বঘোষিত কর্মবিরতি ও সর্বাত্মক অসহযোগিতা কঠোরভাবে পালন করবেন তারা।
গত ১৪ অক্টোবর চুয়েট শিক্ষক সমিতির এক জরুরি সাধারণ সভায় নবনিযুক্ত উপাচার্যের কর্মকাণ্ডের নিন্দা জানানো হয়। সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে উপাচার্যের ক্যাম্পাসে প্রবেশ ও পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহের জন্য তাঁকে দায়ী করা হয়। একই সঙ্গে শিক্ষক সমিতির সদস্যদের আস্থা হারানোর কথা উল্লেখ করে অধ্যাপক ড. মো. আরাফাত রহমানকে চুয়েটের সব ধরনের প্রশাসনিক দায়িত্ব থেকে বিরত রাখার দাবি জানানো হয়।


