এস আলম গ্রুপের কর্ণধার সাইফুল আলম, তার স্ত্রী, পাঁচ ভাইসহ ৬৭ জনের বিরুদ্ধে ১০ হাজার কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এটি দুদকের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অর্থের মামলা হবে বলে জানিয়েছেন দুদকের মহাপরিচালক আখতার হোসেন।
রোববার দুদক কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান তিনি।
অর্থাৎ দুদক প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাৎ বা পাচারের অভিযোগে যত মামলা হয়েছে, তার মধ্যে এই মামলার অর্থের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি।
অভিযোগ অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড (আইবিবিএল) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা ও বিধি-নিষেধ না মেনে এস আলম গ্রুপের তিনটি প্রতিষ্ঠানের নামে অনিয়মিতভাবে ঋণ অনুমোদন করা হয়। প্রতিষ্ঠান তিনটি হলো- এস আলম রিফাইন্ড সুগার, এস আলম স্টিলস লিমিটেড ও এস আলম ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেড।
নয় হাজার ২৮৩ কোটি ৯৩ লাখ টাকা মূল ঋণ বর্তমানে লভ্যাংশ ও সুদসহ ১০ হাজার ৪৭৯ কোটি ৬২ লাখ টাকায় দাঁড়িয়েছে।
এর আগে গত ২৮ অক্টোবর মোহাম্মদ সাইফুল আলম ও তার পরিবারের বিভিন্ন সদস্যের নামে থাকা ৪৬৯ একর জমি ক্রোকের আদেশ দেয় আদালত। দুদকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন ঢাকা মহানগরের জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজ।
গত ২০ অক্টোবর আদালতের নির্দেশে এস আলমের ১০৫টি কোম্পানির ৫১৩ কোটি ১৮ লাখ ৩২ হাজার ২৮২ টাকার শেয়ার অবরুদ্ধ করা হয়। এছাড়া, গত ১০ জুলাই সাইফুল আলম, তার স্ত্রী ও সন্তানের নামে থাকা সিঙ্গাপুরের ব্যাংক হিসাব ও কোম্পানির শেয়ার অবরুদ্ধ করার আদেশ দেয় আদালত।


