জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈঠক

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বৈঠক
বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: পিআইডি
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদার ও ভবিষ্যৎ বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি, স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর এবং জ্বালানি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছে সরকার।

বৃহস্পতিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ও যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইটের মধ্যে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আধুনিক ও নিরাপদ পারমাণবিক প্রযুক্তির ব্যবহার, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময় এবং জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান জ্বালানি চাহিদা পূরণ, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে আধুনিক ও নিরাপদ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ পারমাণবিক প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রসহ প্রযুক্তিগতভাবে অগ্রসর দেশগুলোর সঙ্গে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তি বিনিময় আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

আরও পড়ুন

যুক্তরাষ্ট্রের জ্বালানি মন্ত্রী ক্রিস রাইট বাংলাদেশে জ্বালানি ও পারমাণবিক প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, আধুনিক পারমাণবিক প্রযুক্তি এবং স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টরের উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ যুক্তরাষ্ট্রের অগ্রাধিকারগুলোর একটি।

স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর হলো ছোট আকারের পারমাণবিক চুল্লি, যা প্রচলিত বড় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের তুলনায় কম ক্ষমতার হলেও তুলনামূলকভাবে সহজে স্থাপন করা যায় এবং ভবিষ্যৎ জ্বালানি ব্যবস্থায় এর ব্যবহার বাড়ছে।

বৈঠকে শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক সহযোগিতা, স্মল মডুলার রিঅ্যাক্টর প্রযুক্তি, জ্বালানি খাতে সহায়তা, প্রযুক্তি ও জ্ঞান বিনিময় এবং দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়।

উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করার পাশাপাশি পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি এবং জ্বালানি খাতে ভবিষ্যতে যৌথভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

বাংলাদেশ সরকার জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং উন্নত প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহারের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা সম্প্রসারণে গুরুত্ব দিয়ে আসছে।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর