থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল

থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল
থাইল্যান্ডের নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল। ছবি: ফ্রী মালয়েশিয়া টুডে
Advertisement
Advertisement

থাইল্যান্ডের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলেন অনুতিন চার্নভিরাকুল। এ নিয়ে গত তিন বছরের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী পরিবর্তন করল ব্যাংকক।

শুক্রবার থাই পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটে নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন অনুতিন, এতদিন তিনি দেশটির উপ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন।

এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী ছিলেন পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা। ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট থাইল্যান্ডের রাজা মাহা ভাজিরালংকর্নের অনুমোদনে প্রধানমন্ত্রী হন থাই রাজনীতিতে আধিপত্য ধরে রাখা সিনাওয়াত্রা পরিবারের মেয়ে পেতংতার্ন। তার বাবা থাকসিন সিনাওয়াত্রা থাইল্যান্ডের সাবেক প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রী।

গত জুনে থাই-কম্বোডিয়া সীমান্ত উত্তেজনার সময় নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগে জনগণের তোপের মুখে পড়েন পায়েতংতার্ন। কম্বোডিয়ার সাবেক নেতা হন-সেনকে ‘চাচা’ সম্বোধন ও থাই সেনাবাহিনীর নেতিবাচক সমালোচনার অডিও রেকর্ড ফাঁস করেন খোদ হন-সেন। এ ঘটনায় জনগণের অনাস্থা চাপে পড়া পায়েতংতার্ন আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি।

গত ২৯ আগস্ট আদালতের নির্দেশে তাকে প্রধানমন্ত্রী পদ থকে অপসারণ করা হয়। এর সাতদিন পর দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করল পার্লামেন্ট।

নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী অনুতিনের রাজনৈতিক দল ‘ভূমজাইথাই পার্টি’ গত নির্বাচনে ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে কেবল ৬৯টি আসন পেয়েছে। কাজেই তাকে সরকার গঠনে পার্লামেন্টের অন্য বড় দলগুলোর সমর্থন নিতে হয়েছে।

আরও পড়ুন

২০২৩ সালের নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি আসন জয় করা পিপলস পার্টির প্রতিনিধিও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে পিছিয়ে পড়ায় সে দলের সমর্থন পান অনুতিন।

দেশের ক্রান্তিকালে হাল ধরলেও অনুতিনের ক্ষমতার মেয়াদ কেবল চার মাস। পার্লামেন্ট সদস্যরা তাকে সমর্থন দেওয়ার আগে শর্ত জুড়ে দেন, আগামী চার মাসের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন দিয়ে থাইল্যান্ডের সেনাবাহিনী প্রণীত সংবিধান সংস্কার করবেন অনুতিন।

কে এই অনুতিন

বিবিসি’র খবরে বলা হয়, অনুতিন চার্নভিরাকুল একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ী। তার পরিবার একটি বিশাল কনস্ট্রাকশন কোম্পানির মালিক। তারাই দেশটির নতুন পার্লামেন্ট ভবন নির্মাণ করেছেন। অনুতিন একজন পাইলট এবং তার তিনটি ব্যক্তিগত বিমান রয়েছে।

২০২২ সালে তিনি দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ সময় থাইল্যান্ডে গাঁজার ব্যবহার আংশিক বৈধ করে আইন করায়, জনগণের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন অনুতিন।

 

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর
Ad