যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় সরকারের শাটডাউন বা অচলাবস্থার কারণে শনিবার বাতিল হয়েছে ১ হাজার ৪০০’র বেশি ফ্লাইট।
এয়ারলাইনসগুলোকে চলতি সপ্তাহে ফ্লাইট চলাচল কমানোর নির্দেশ দেওয়ার পর শনিবার এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়। যার মধ্যে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট যেমন রয়েছে বহির্গামী বা যুক্তরাষ্ট্রমুখী ফ্লাইটও রয়েছে।
ফ্লাইট ট্র্যাকার প্রতিষ্ঠান ফ্লাইটঅ্যাওয়ারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৬ হাজার ফ্লাইট বিলম্বিতও হয়েছে।
এর আগে শুক্রবার দেরি হয়েছিল সাত হাজারের বেশি ফ্লাইট ছাড়তে।
সপ্তাহের শুরুতেই ফেডারেল অ্যাভিয়েশন অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ঘোষণা দিয়েছিল যে, তারা দেশের ৪০টি ব্যস্ততম বিমানবন্দরে বিমান ভ্রমণ ক্ষমতা ১০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনবে। কারণ শাটডাউনের সময় বিনা বেতনে কাজ করা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলাররা ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।
গত ১ অক্টোবর শুরু হয় এই শাটডাউন, যা এখনো অব্যাহত। এ অচলাবস্থা কীভাবে শেষ করা যায় তা নিয়ে এরই মধ্যে কংগ্রেসে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাটরা।
ইতিহাসের দীর্ঘতম এই শাটডাউনের শনিবার পার হলো ৩৯তম দিন। তবে সরকার এখনো কোনো অর্থায়ন প্রস্তাবে এখনও সম্মত হতে পারেনি। খাদ্য সহায়তা ছেঁটে ফেলা এবং ফ্লাইট বিঘ্নের মধ্যে দিয়ে শাটডাউনের প্রভাব যখন আরও বেশি আমেরিকানরা অনুভব করতে শুরু করেছেন, তখন এটি শেষ করার লক্ষ্যে দ্বিদলীয় আলোচনার জন্য সিনেটররা ওয়াশিংটনে রয়েছেন।
শনিবার এক বিবৃতিতে, আমেরিকান এয়ারলাইনস শাটডাউন শেষ করে দ্রুত একটি সমাধানে পৌঁছতে নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে।
বিবিসি বলছে, নিউ জার্সির নিউয়ার্ক লিবার্টি ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্টে যাত্রীদের সবচেয়ে বেশি সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। শনিবার বিকাল পর্যন্ত, বিমানবন্দরটিতে ফ্লাইট পৌঁছতে চার ঘণ্টারও বেশি বেশি দেরি হয়েছে। একই ভাবে ছেড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে যাত্রীদের অপেক্ষা করতে হয়েছে দেড় ঘণ্টার বেশি সময়।


