“বাংলাদেশে আদিবাসী নেই”—এ কথা আন্তর্জাতিক মহলে প্রচার করতে পারলে প্রত্যেক সরকারের লাভ হয়’—এমন অভিযোগ করেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল, বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান। তার আরও অভিযোগ,
“আদিবাসীদের” নিম্নতর পর্যায়ে ফেলে দেওয়ার জন্য এখানে শাসনতন্ত্রে এক ধরনের ঐকমত্য রয়েছে।’
শুক্রবার ঢাকার ধানমন্ডিতে ঢাকার ধানমন্ডির উইমেন্স ভলান্টারি অ্যাসোসিয়েশনে (ডব্লিউভিএ) আদিবাসী ফোরাম আয়োজিত পার্বত্য পরিস্থিতি ও শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নে করণীয় বিষয়ক এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এতে জনসংহতি সমিতির সহ-সভাপতি উষাতন তালুকদার বলেন, ‘শান্তিচুক্তি বাস্তবায়নের প্রশ্ন পাহাড়ের মানুষ প্রতারিত হয়েছে। সাবেক এই গেরিলা নেতার অভিযোগ করে আরও বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারও বিগত সরকারের মতো পাহাড়ে “নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা” জারি রেখেছে।’
তিনি ‘উপজাতি’ কোটা এক শতাংশ থেকে পাঁচ শতাংশে বৃদ্ধির দাবি করে আরও বলেন, ‘জাতীয় অস্তিত্ব ও ভূমির অস্তিত্ব পাহাড়ের মানুষের চাওয়া।’
আলোচনা সভায় নির্ধারিত বিষয়বস্তুর ওপর প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আদিবাসী অধিকারকর্মী সতেজ চাকমা। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন আদিবাসী ফোরামের সহসাধারণ সম্পাদক গজেন্দ্রনাথ মাহাতো।
তিনি বলেন, ‘শান্তিচুক্তির পর ২৮ বছরেও চুক্তির যথাযথ বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠা হয়নি। পার্বত্য চট্টগ্রামকে বেসামরিক প্রশাসনে ন্যস্ত করতে হবে।’
আদিবাসী ফোরামের সহসভাপতি অজয় এ মৃ তার বক্তব্যে শান্তিচুক্তির যথাযথ বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে একটি রূপরেখা প্রণয়ন করার দাবি জানান।
এতে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন সিপিবির রুহিন হোসেন প্রিন্স, আদিবাসী ফোরামের সঞ্জীব দ্রং, এএলআরডি’র শামসুল হুদা প্রমুখ।


