মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী ‘আরাকান আর্মির’ অপহরণের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে ১২২ জেলে ও ১৯টি ফিশিংবোট উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড। তাদের মধ্যে ২৯ বাংলাদেশি ও ৯৩ রোহিঙ্গা রয়েছেন।
শুক্রবার বিকালে শাহপরীর দ্বীপসংলগ্ন মিয়ানমার সীমান্তে এ অভিযান চালানো হয়।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক জানান, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মিয়ানমার সীমান্তে মাছ ধরতে যাওয়া জেলেদের উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
আন্তর্জাতিক আইন অমান্যকারী এসব জেলেদের ফেরত আনতে কোস্টগার্ডসহ সীমান্তে নিরাপত্তা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে নানা বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। এতে সীমান্তে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ, মাদকপাচার, অস্ত্রপাচার ও চোরাচালান রোধসহ নিরাপত্তা নিশ্চিতে নানাভাবে বেগ পেতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
কোস্টগার্ড জানায়, গোপন সংবাদে কোস্টগার্ড জানতে পারে টেকনাফ উপজেলার সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ সংলগ্ন এলাকার বেশকিছু বাংলাদেশি ফিশিংবোট মিয়ানমার-বাংলাদেশ পানিসীমার শূন্যরেখা অতিক্রম করে মিয়ানমারের অভ্যন্তরে মাছ ধরছ। পরে শাহপরীর দ্বীপ সীমান্ত পিলার-৩ এলাকার আওতাধীন মিয়ানমারের নাইক্ষ্যংদিয়া সংলগ্ন নাফ নদীর মোহনা থেকে জালিয়াপাড়া পর্যন্ত মিয়ানমার সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন কোস্টগার্ডের শাহপরী আউটপোষ্টের সদস্যরা।
অপরদিকে, আরাকান আর্মি প্রায় প্রতিদিনই বাংলাদেশি জেলেদের বোটসহ আটক করে নিয়ে যাচ্ছে। গত ছয়দিনে ৫১ জেলেকে অপহরণ করেছেন তারা। যাদের এখনো ফেরত পাওয়া যায়নি।