বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শুল্ক বিষয়ক আলোচনা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এটিকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, কারণ দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি শুল্ক নীতি এবং বাণিজ্য শর্তাবলী নিয়ে আলোচনা চলছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তৃতীয় ধাপের এ আলোচনা শুরু হয়।
এদিন দুপুর ১২টা নাগাদ অনানুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া আলোচনা বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত চলবে।
এই আলোচনা মূলত দুই দেশের শুল্ক সংক্রান্ত বিষয়ে আরও স্বচ্ছতা এবং সমন্বয়ের লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। শুল্ক ব্যবস্থাপনা এবং বিভিন্ন বাণিজ্য সম্পর্কিত বাধাগুলো কমানোর মাধ্যমে উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্দেশ্যে এটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এছাড়া, এই আলোচনার মাধ্যমে উভয় পক্ষ তাদের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও উন্নত করার জন্য সহযোগিতা এবং সমন্বয়ের নতুন পথ খুঁজে পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টায় আবার এ আলোচনা শুরু হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এক বার্তায় জানানো হয়েছে।
নির্ধারিত বৈঠকের আগে বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল মঙ্গলবার সকালে ওয়াশিংটনে পৌঁছান। এই আলোচনা শুল্ক সম্পর্কিত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।
এ দলে প্রধান উপদেষ্টার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা, রোহিঙ্গা সমস্যা বিষয়ক হাই রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. খলিলুর রহমান, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. নাজনীন কাওসার চৌধুরী রয়েছেন। তারা শুল্ক বিষয়ক আলোচনা এবং বাণিজ্য সম্পর্কিত অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরের কর্মকর্তারা ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি এ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন। ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস শুল্ক আলোচনার পুরো বিষয়টি সমন্বয় করছে।
যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে সহকারী ট্রেড রিপ্রেজেন্টেটিভ ব্রেন্ডন লিঞ্চ নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বাণিজ্য ও শুল্ক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তার সঙ্গে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র এবং বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক দীর্ঘদিনের এবং এই ধরনের আলোচনা উভয় দেশের বাণিজ্য সুবিধার উন্নতি সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।