হবিগঞ্জ জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত করা হয়েছে। শুক্রবার গভীর রাতে ঢাকার গুলশানে চেয়ারপারসনের অফিসে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ৬ সেপ্টেম্বর সম্মেলন ও কাউন্সিল হওয়ার কথা ছিল।
উপজেলা ও পৌর ইউনিট কমিটিতে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জি কে গউসের পছন্দের নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং বিভিন্ন অভিযোগ তুলে সাবেক এমপি শেখ সুজাত মিয়া ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি শাম্মি আক্তারের নেতৃত্বে বিএনপির একটি গ্রুপ সম্মেলন ও কাউন্সিলে অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নেয়।
বিভিন্ন ইউনিটে ‘পকেট কমিটি’ গঠনের অভিযোগ তুলে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীরা তা বাতিলের দাবি জানিয়ে জেলা সদরে বিক্ষোভ এবং উপজেলাগুলোতে ঝাড়ু ও জুতা মিছিল করেন।
দলে কোন্দলের বিষয়টি কেন্দ্রীয় কমিটির নজরে এলে সিলেট বিভাগের টিম লিডার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সকল যুগ্ম আহ্বায়কসহ বৃহস্পতিবার দুই দফা ঢাকায় চেয়ারপারসনের অফিসে বৈঠক করেন।
বৈঠকে অংশ নেওয়া জেলা বিএনপির একজন যুগ্ম আহ্বায়ক জানান, উভয় গ্রুপের নেতাদের বক্তব্য শোনার পর দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে ৬ সেপ্টেম্বরের সম্মেলন ও কাউন্সিল স্থগিত করা হয়।
একই সঙ্গে পূর্বের নির্বাচন কমিশন বাতিল করা হয় এবং উপজেলা ও পৌর কমিটির তালিকায় যেসব সদস্যের বিরুদ্ধে বিগত ১৫ বছর নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ রয়েছে, তাদের বাদ দিয়ে উভয় গ্রুপ মিলে দলের ত্যাগী এবং জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার কর্মীদেরকে সম্পৃক্ত করে নতুন কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
বৈঠক রাত আড়াইটায় শেষ হয়। বৈঠকে অ্যাডভোকেট মঞ্জুর উদ্দিন আহমেদ শাহিনকে বাদ দিয়ে অ্যাডভোকেট মো. বদরু মিয়াকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়।