গাইবান্ধায় ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের তালিকা বাতিলের দাবিতে ফুলছড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ের জানালা ও চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
মঙ্গলবার বেলা ১টার দিকে ইউএনও কার্যালয় চত্বরে বিক্ষোভ মিছিল ও ভাঙচুর চালান বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও এনসিপির নেতাকর্মী এবং নিয়োগবঞ্চিত প্রার্থীরা।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ফ্যাসিবাদের দোসর ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যোগসাজশে ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। তালিকায় একাধিক রাজনৈতিক নেতাকর্মীর নাম রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সকালে উপজেলা প্রশাসন তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নামের তালিকা প্রকাশ করে। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুপুর ১টার দিকে অসন্তুষ্ট প্রার্থীরা রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন।
মিছিলটি উপজেলা চত্বর প্রদক্ষিণ করার একপর্যায়ে ইউএনও কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলার অফিস কক্ষের জানালা ও কয়েকটি চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। পরবর্তীতে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা ঘটনাস্থলে গিয়ে বেলা দেড়টার দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক জয়নাল মিয়া বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে ও তাদের নাম অন্তর্ভুক্ত করে এ তালিকা করা হয়েছে। তাই ক্ষুব্ধ হয়ে নেতাকর্মীরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা অবিলম্বে এই বিতর্কিত তালিকা বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।’
ভাঙচুরের বিষয় নিয়ে ফুলছড়ির ইউএনও মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রাহক ও সুপারভাইজার পদের জন্য সহস্রাধিক আবেদন জমা পড়েছিল। সরকারি নীতিমালা অনুসরণ করে সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে সেখান থেকে ৭৩ জনকে নির্বাচন করা হয়েছে। যারা সুযোগ পাননি, মূলত তারাই ক্ষুব্ধ হয়ে এই অনাকাঙ্ক্ষিত ভাঙচুর চালিয়েছেন।


