গভীর হচ্ছে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক, এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক

গভীর হচ্ছে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক, এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করবেন তারেক
Advertisement
Advertisement

জলবায়ু সম্মেলন কপ-৩১ এ যোগ দিতে তুরস্ক সফরের সময় দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠক করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৈঠকে দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করবেন।

জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে বাংলাদেশের অংশগ্রহণের প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার। সম্মেলনের উচ্চপর্যায়ের পর্বে প্রধানমন্ত্রীর যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। চলতি বছরের নভেম্বরে তুরস্কের আনতালিয়ায় কপ-৩১ অনুষ্ঠিত হবে।

এমন এক সময়ে এ সফর হতে যাচ্ছে, যখন বাণিজ্য, বিনিয়োগ, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক সম্প্রসারিত হচ্ছে।

জলবায়ু সম্মেলনে অংশ নেওয়া অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গেও প্রধানমন্ত্রী বৈঠক করতে পারেন।

তুরস্কে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম আমানুল হক টাইমস অব বাংলাদেশকে বলেছেন, সফররত সরকারপ্রধানদের সঙ্গে আয়োজক দেশের নেতৃত্বের বৈঠক করা একটি প্রচলিত রীতি।

তিনি বলেন, ‘সফররত নেতাদের সঙ্গে আয়োজক দেশের নেতাদের বৈঠক করা একটি রীতি।’ তবে ১ সেপ্টেম্বর তুরস্কের পরিবেশমন্ত্রীর কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ের পর বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে।

রাষ্ট্রদূত বলেন, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে দুই নেতারই নিউইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানেও তাদের বৈঠকের সুযোগ হতে পারে।

আরও পড়ুন

কপ-৩১-এর প্রস্তুতি

রাষ্ট্রদূত বলেন, তুরস্ক বর্তমানে কপ-৩১ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। আগামী সপ্তাহে আঙ্কারায় কর্মরত কূটনীতিকদের এ আয়োজনের প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হবে।

তিনি বলেন, ‘কপ-৩১ আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে তুরস্ক। আগামী সপ্তাহে আঙ্কারায় কর্মরত সব কূটনীতিককে এ প্রস্তুতি সম্পর্কে জানানো হবে। ব্রিফিংয়ের পর সম্মেলনটি সম্পর্কে আমাদের ধারণা আরও স্পষ্ট হবে। সে অনুযায়ী আমরা প্রস্তুতি নেব।’

ঢাকা-আঙ্কারা সম্পর্ক

সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বাংলাদেশ ও তুরস্কের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সম্প্রসারিত হয়েছে। বাণিজ্য, বিনিয়োগ, রোহিঙ্গা সংকট ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা এ সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে উঠে এসেছে।

দুই দেশের বাণিজ্যের পরিমাণ ১০০ কোটি মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। বাণিজ্যের ভারসাম্য বাংলাদেশের অনুকূলে রয়েছে। তুরস্ক বাংলাদেশে বিনিয়োগও করেছে। এ ছাড়া রোহিঙ্গা সংকটের শুরু থেকেই দেশটি মানবিক সহায়তা ও সহযোগিতা দিয়ে আসছে।

বিশেষ করে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে প্রতিরক্ষা সহযোগিতায় উল্লেখযোগ্য গতি এসেছে। দুই দেশ একটি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা কাঠামো নিয়ে আলোচনা করছে। শিগগিরই এটি সই হতে পারে।

বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে নিয়মিত প্রতিরক্ষা সহযোগিতাও অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি তুরস্কের সহায়তায় বাংলাদেশের বিদ্যমান সমরাস্ত্র কারখানার আধুনিকায়নে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়ে আলোচনা চলছে।

আমানুল বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে কারিগরি সহায়তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছিল এবং তা অব্যাহত রয়েছে।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনগুলোতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর হবে। আমানুল বলেন, ‘আমাদের সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী দিনগুলোতে এ সম্পর্কের গভীরতা ও পরিধি আরও বাড়বে বলে আমরা আশা করি।’

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর