উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় ইউজিসি ও পাকিস্তান এইচইসি

উচ্চশিক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে চায় ইউজিসি ও পাকিস্তান এইচইসি
ছবি: সৌজন্যে
Advertisement
Advertisement

বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে উচ্চশিক্ষা, গবেষণা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় এবং ইউজিসি ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্ষমতা উন্নয়নে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশন (এইচইসি)।

এ লক্ষ্যে দুই দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সইয়ের বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছে উভয় পক্ষ।

মঙ্গলবার ইউজিসি কার্যালয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান মামুন আহমেদের সঙ্গে বাংলাদেশে নিযুক্ত পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দারের সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে ইউজিসির সদস্য মো. সাইদুর রহমান, মাছুমা হাবিব, মোহাম্মদ আইয়ুব ইসলাম, আব্দুল্লাহ-আল-মামুন এবং পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনার মোহাম্মদ ওয়াসিফসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনায় দুই দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে শিক্ষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় কর্মসূচি চালু, অন্তত একটি সেমিস্টারের জন্য একাডেমিক বিনিময়, শিক্ষক-কর্মকর্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে যৌথ প্রশিক্ষণ, গবেষণা সহযোগিতা এবং উদ্ভাবনী কার্যক্রম সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন

এ ছাড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা, গবেষণা ব্যবস্থাপনা, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের আধুনিকায়ন, আন্তর্জাতিক র্যাঙ্কিংয়ে অগ্রগতি এবং পাকিস্তানের ‘নলেজ করিডোর’ কর্মসূচির অভিজ্ঞতা বিনিময়ের বিষয়েও আলোচনা হয়। উচ্চশিক্ষা খাতে যৌথ প্রকল্প গ্রহণের ব্যাপারেও উভয় পক্ষ ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করে।

বৈঠকে ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, সরকার ইউজিসিকে উচ্চশিক্ষা কমিশনে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে। এ ক্ষেত্রে পাকিস্তানের হায়ার এডুকেশন কমিশনের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জন্য সহায়ক হতে পারে।

তিনি বলেন, গবেষণা, উদ্ভাবন ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে পাকিস্তানের উচ্চশিক্ষা কমিশন এবং দেশটির বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করার সুযোগ সৃষ্টি হলে উভয় দেশের উচ্চশিক্ষা খাত আরও সমৃদ্ধ হবে।

পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার বলেন, চলতি বছর বাংলাদেশ থেকে প্রায় ৩ হাজার ৮০০ শিক্ষার্থী পাকিস্তানে উচ্চশিক্ষার জন্য আবেদন করেছেন। দেশের ঢাকা, চট্টগ্রামসহ ছয়টি অঞ্চলে এসব আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি জানান, পাকিস্তানের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির পাশাপাশি আবাসন, খাবার ও যাতায়াত সুবিধাও দিয়ে থাকে।

ইমরান হায়দার আরও বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার বৈঠকে শিক্ষা খাতকে দুই দেশের সহযোগিতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে যোগাযোগ ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পেলে গবেষণা, উদ্ভাবন এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে উভয় দেশই উপকৃত হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

Follow TIMES on Google News

Get trusted updates and editor-picked stories in your feed.

Follow
সম্পর্কিত খবর